সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ফেলে দেওয়া হয় ৪০ কিলোমিটার দূরে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের কক্সবাজারে বালিয়াড়ি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ: প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির নারীপাচারের নয়া ফাঁদ ও শিকড়ের সংকট

আন্দামান সাগরে ভাসমান রোহিঙ্গাদের কাছে জাতিসংঘের কার্ড

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

আন্দামান সাগরে ভাসমান রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে বাংলাদেশ রাজি নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। শনিবার (১৩ মার্চ) সাংবাদিকদের তিনি জানান, ওই রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ থেকে ১,৭০০ কিলোমিটার দূরে এবং ভারত থেকে ১৪৭ কিলোমিটার ও মিয়ানমার থেকে ৩২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বিষয়টি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী (এস জয়শঙ্কর) তুলেছিলেন। উনি আসার আগে থেকে আমি বলাবলি করছি যে এটা আমাদের গ্রহণ করার কোনও যুক্তিযুক্ত কারণ নেই। কারণ তাদেরকে ১,৭০০ কিলোমিটার দূরে পাওয়া গেছে। এরা যে জাহাজে ছিল সেটি আমাদের দেশের না, সেটি থাইল্যান্ডের জাহাজ।’

রোহিঙ্গারা ভারতের আন্দামান ও নিকোবর থেকে ১৪৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থানের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের আইন হচ্ছে নিকটনর্তী যে দেশ তাদের দায়িত্ব দুর্যোগ থেকে উদ্ধার করা। সেইদিক থেকে নিকটবর্তী হচ্ছে ভারত। তবে এরা মিয়ানমারের লোক এবং ওই জায়গা থেকে মিয়ানমার ৩২৪ কিলোমিটার দূরে। সুতরাং এটি মিয়ানমারের এক নম্বর দায়িত্ব কারণ এরা ওই দেশের নাগরিক। এরপর হচ্ছে যে দেশটি সবচেয়ে কাছে আছে। সেইদিক থেকে আসছে ভারতের নাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই রোহিঙ্গাদের অনেকের কাছে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার কার্ড আছে। এটি খুব তাজ্জব যে এদের যখন সাগরে পাওয়া যায় তখন তাদের খাবার থাকে না, পানি থাকে না, কিন্তু আইডি কার্ড থাকে। জাতিসংঘ যদি তাদের আইডি কার্ড দিয়ে থাকে তবে এটি তাদের দায়িত্ব রোহিঙ্গাদের দেখভাল করা।’

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION